আমাদের সম্পর্কে

স্বদেশ প্রপার্টিস লিমিটেড বিগত চৌদ্দ বছর ধরে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান আবাসিক প্রকল্প হিসেবে গ্রাহকদের সন্তুষ্টি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। উন্নত নগরায়নের জন্য প্রকল্প পরিকল্পনা ও প্রতিশ্রæতি অনুযায়ী কার্যক্রমের ফলে গ্রাহকদের শতভাগ সন্তুষ্টি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে এবং ঢাকা শহর ও তার আশেপাশে কয়েকটি নান্দনিক শহর গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। স্বদেশ প্রপার্টিস লিমিটেড সফলতার সাথে নৈতিকা, সততা, স্বচ্ছতা, গ্রাহক সেবা এবং সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে আবাসিক প্রকল্প পরিচালনা করে আসছে। আবাসিক এবং বাণিজ্যিক উন্নয়নে দক্ষতার সাথে বাংলাদেশের প্রধান ভূমি উন্নয়নকারী হিসাবে, এটির ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে এবং উচ্চমানের নির্মাণ প্রযুক্তি ব্যবহার করে সময়মত গ্রাহকদের প্লট বুঝিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে।

স্বদেশ প্রপার্টিস লিমিটেড আন্তরিকভাবে আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছে। আপনি এখানে পাবেন আমাদের অবস্থান, সুযোগ-সুবিধা, নকশাসহ সবকিছু যা আপনার আশা-আখাঙ্কা পূরণ করবে। স্বদেশ একটি আধুনিক শিল্প হিসাবে উপস্থিত হয়েছে কারণ শহরটি আশেপাশে দ্রæত উন্নয়নের মাধ্যেমে মধ্যবিত্তের জন্য উপযুক্ত প্লট গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে দেশে আবাসন সংকট নিরসনে গুর”ত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। স্বদেশ পরিবেশগত মান ঠিক রেখে বসবাসের গুরুত্ব এবং সংবেদনশীলতা অনুধাবন করে প্রকল্পগুলি পরিকল্পনা করে। বিশুদ্ধ বায়ু, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, যথাযথ স্যানিটেশন, মাটি ক্ষয় নিয়ন্ত্রণ, ইতিহাস সংরক্ষণ এবং ভূগর্ভস্থ বিস্ফোরক নিরসনের মতো পরিবেশগত বিষয়গুলি আমাদের পরিকল্পনার মধ্যে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে থাকে। স্বদেশের প্রকল্প পরিচালনা দলটি প্রকল্প পরিচালকগণ, প্রকল্প ইঞ্জিনিয়ার এবং দক্ষ সুপারভাইজার নিয়ে গঠিত এবং প্রকল্পগুলি সম্পাদন না হওয়া পর্যন্ত সাইটে সম্পূর্ণ কার্যক্রম তদারকি করে। স্বদেশ যে কোনো প্রশ্ন এবং সমস্যা হলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহন করে যাতে গ্রাহকরা সন্তুষ্ট থাকে। স্বদেশ যথাসময়ে গ্রাহকদের প্রাপ্য বুঝিয়ে দেয়। আমরা বাংলাদেশের গুটি কয়েকের মধ্যে একটি যারা সরকারী আইন এবং রিহ্যাবের আচরণবিধি কঠোরভাবে মেনে চলে। আমরা এটি বলতে পেরে গর্বিত এবং আমরা সর্বদা এই নীতি অনুসরণ করে চলব। প্রকল্প বাস্তবায়ন দলের নেতৃত্ব অত্যন্ত অভিজ্ঞ প্রকৌশলীগণ দিয়ে থাকেন। দলটি নির্মাণের পুরো প্রক্রিয়াটির অভিযাত্রী হিসাবে কাজ করে এবং প্রকল্পগুলির তফসিল সমাপ্তি এবং উপকরণের মান নিশ্চিত করে। স্বদেশে আপনার বিনিয়োগ জমি, প্লট প্রতি সপ্তাহে, প্রতি মাসে এবং প্রতি বছর বৃদ্ধি পায়। আপনার বিনিয়োগের মান সর্বদা বৃদ্ধি পায় এবং আমাদের বিদ্যমান গ্রাহকরা এতে সন্তুষ্ট।

আপনার পক্ষ থেকে আমরা বেশিরভাগ শীর্ষস্থানীয় হোম লোন সরবরাহকারীদের সাথে প্রাক-অনুমোদোন সম্পন্ন করে রেখেছি যার ফলে আপনাদের পরবর্তী কাজ সহজতর হয়। স্বদেশ নিজেদের সামর্থ্য অনুসারে এবং সরকারী - বেসরকারী উদ্যোগের পাশাপাশি বিভিন্ন কর্মকান্ডে অংশ নিয়ে উপযুক্তভাবে সিএসআর (কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি) কাজে নিযুক্ত রয়েছে। স্বদেশ প্রপার্টিস লিমিটেড আইন মেনে চলার পাশাপাশি এর কর্মচারী এবং তাদের পরিবারের, স্থানীয় সম্প্রদায় এবং সমাজের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকে। উপরোক্ত কার্যকলাপের পাশাপাশি স্বদেশ আরও বিভিন্ন সামাজিক কার্যকলাপে জড়িত:

  • স্বদেশ প্রপার্টিস লিমিটেড বিপুল সংখ্যক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠন, মাদ্রাসা ও মসজিদে অর্থ ও বই দান করে।
  • প্রতি বছর শীতকালে গরিবদের  মঝে প্রচুর পরিমাণে গরম পোশাক বিতরণ করা হয়।
  • প্রতি বছর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে কাপড়/ খাবার বিতরণ করা হয়।

আমাদের লক্ষ্য আমাদের গ্রাহকদের আবাসন খাতে সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধা, শ্রেষ্ঠত্ব এবং দক্ষতার সাথে সেবা সরবরাহ করা। সর্বদা মনে রাখতে হবে যে প্রতিটি আবাসন প্রকল্পের লেনদেনের পিছনে সর্বদা একজন ব্যক্তি বা পরিবার জড়িত থাকে।

সমস্ত লেনদেনে সন্দেহাতীত নিয়ম নীতি অনুসরন করে আমাদের গ্রাহকদের সর্বোত্তম স্বার্থে কাজ করা এবং চূড়ান্ত গ্রাহক সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যমে আমাদের গ্রাহকদের সাথে দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক গড়ে তোলা।

স্বদেশ প্রপার্টিস লিমিটেডে গ্রাহকদের সন্তুষ্টির বিষয়টি মূল অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। আমাদের উদ্দেশ্য হলো আবাসন প্রকল্পে একটা উজ্ঝল নক্ষএ হয়ে থাকতে, আমরা শুধুমাএ জমি ক্রয় থেকে বিক্রয় পর্যন্ত সীমাবদ্ধ না থেকে এর পরেও ভবিষ্যতে গ্রাহকদের সাথে সুস্পর্ক বজায় রাখতে ভিবিন্ন উদ্যেগ গ্রহন করে থাকি।

আমরা নতুন নতুন ধারনা এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমাদের প্রকল্পের জমি ক্রয়, সুলভমূল্যে বিক্রয় এবং সহজতরভাবে সম্পাদন করে থাকি।

বিশাল সম্ভাবনাময় তৃতীয় বিশ্বের অন্যতম উন্নয়নশীল দেশ বাংলাদেশ। কেবলমাত্র ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল পরিমাপের এক টুকরো জমির মধ্যে আঠার কোটিরও বেশি জনসংখ্যা রয়েছে। গ্রাম থেকে শহরে স্থানান্তর বাংলাদেশের অনেক পরিবারের জীবিকা নির্বাহের কেন্দ্রেীয় উপাদান হিসাবে দেখা হয়। মানুষের এই স্থানগত পরিবর্তন পরিবেশগত, অর্থনৈতিক বা জনসংখ্যার আধিক্যের জন্য হয়ে থাকে। গ্রাম থেকে শহরে আসার প্রবণতা দ্রুত বৃদ্ধি বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশ বিশ্বের মেগা নগরগুলির মধ্যে জনসংখ্যায় (বছরে প্রায় ১.০৮%) দ্রæততম বৃদ্ধির সাক্ষী রয়েছে। এটি খুবই দ্রুত নগরায়ণের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে প্রায় ৬২.৮৬ মিলিয়ন জনসংখ্যা শহরাঞ্চলে বসবাস করছে।

এই ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিমি আয়তনের দেশে জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রায় ১,১১৫.৬২ জন/বর্গ কিমি, যা বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চ। ২০২৪ সালের মধ্যে ধারনা হচ্ছে এই দেশের জনসংখ্যা প্রায় ২৫ মিলিয়নের বেশি হবে, কিন্তু অন্যদিকে দিন দিন জমির পরিমাণ হ্রাস পাচ্ছে।

যদি প্রশ্ন করা হয়, রাজধানী ঢাকার সাথে যোগাযোগ রেখে বিকল্প আবাসনের বিকাশ করা ছাড়া আর কোনও বিকল্প উপায় আছে কি, এই বহুবর্ষীয় ট্র্যাফিক জ্যাম, স্বাস্থ্য বিপর্যয় এবং অন্যান্য সংকট থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য যা কোনো নাগরিক আর বহন করতে পারে না, উত্তর হচ্ছে না। প্রকৃতপক্ষে এখনও পর্যন্ত কোনও বিকল্প চিন্তা শুরু করা হয়নি।

বিশাল সম্ভাবনাময় তৃতীয় বিশ্বের অন্যতম উন্নয়নশীল দেশ বাংলাদেশ। কেবলমাত্র ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল পরিমাপের এক টুকরো জমির মধ্যে ১৮ কোটিরও বেশি জনসংখ্যা রয়েছে। বর্তমানে অনিয়ন্ত্রিত জনসংখ্যা বৃদ্ধি জাতীয় উন্নয়নের অন্যতম মূল প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আবাসন ব্যবস্থা করা মানুষের পাঁচটি প্রাথমিক চাহিদার মধ্যে একটি। আমাদের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার তুলনায় জমির পরিমান খুবই কম। একইসাথে সামাজিক এবং প্রাকৃতিক কারণে গৃহহীন মানুষের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। যার ফলে বর্তমানে দেশে আবাসন সংকট তীব্র হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং আবাসনের বর্তমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে স্বদেশ প্রপার্টিস লিমিটেড নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

সরকারের প্রচেষ্টার পাশাপাশি এই সংকট নিরসনে একটি শীর্ষস্থানীয় বেসরকারী আবাসন খাত হিসেবে স্বদেশ প্রপার্টিস লিমিটেড গুর”ত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। আমরা আমাদের স্বাভাবিক ব্যবসায়িক কার্যকলাপের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতার উপর সমান জোর দিয়ে থাকি। এই চেতনাকে লালন করে স্বদেশ প্রপার্টিস লিমিটেড খ্যাতি ও বিশ্বাসযোগ্যতার সাথে স্বর্নালী ও সানভ্যালী নামে দুটি আবাসন প্রকল্প তৈরি করছে যা শ্রেণি ও পেশা নির্বিশেষে সর্বস্তরের জনগণের উল্লেখযোগ্য প্রশংসা ও সাড়া পেয়েছে।

আমাদের উদ্দেশ্য

ঢাকা শহরের আশেপাশে নগরবাসীর জন্য আবাসনের সুযোগ তৈরি করে ঢাকা শহরের জনসংখ্যার চাপ হ্রাসে সহায়তা করা।

স্বল্প উপার্জনকারী এবং স্থানীয়দের জন্য আবাসিক অঞ্চল গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করা।

শহুরের জীবনযাত্রাকে একটি নতুন মাত্রা দেওয়া।

সঠিক নগরায়ন দ্বারা পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করা। পরিবেশ বান্ধব এবং টেকসই পরিবেশ তৈরি করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।

আবাসনের বিদ্যমান তীব্র সংকট কমাতে সরকারের অংশীদার হিসাবে কাজ করা ।

নগরায়নের মাধ্যমে আশেপাশের অঞ্চলের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা।

ভবিষ্যতের আবাসন চাহিদা হ্রাস করা।

আমাদের অঙ্গীকার

যথাযথ সেবা প্রদানের মাধ্যমে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা বজায় রেখে আমাদের গ্রাহকদের স্বার্থ সংরক্ষন করা।

আমাদের অর্জন

আমরা আমাদের দীর্ঘ পথ চলার মাঝে দেশ বিদেশে অনেক মেলায় ও প্রোগ্রামে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে অসংখ্য সম্মান ও অনুপ্রেরণা পেয়েছি।

মাননীয় চেয়ারম্যান মহোদয়ের বার্তা

আমরা সবাই নিশ্চয়ই অবগত যে, খাদ্য ও পোষাকের পর আবাসন প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকারগুলোর অন্যতম।

জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার এবং দ্রুত গ্রাম থেকে শহরে অভিবাসনের অভিপ্রায়ের কারনে এদেশে নগরায়নের হার ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সেটা উত্তর উত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আর এ কারনেই উপযুক্ত আবাসন শিল্পের গুরুত্ব বা দ্রুত বিকাশ ঘটবেই। বাংলাদেশ একটি দরিদ্র উন্নয়নশীল দেশ, তাই সরকারের একার পক্ষে সকলের আবাসন নিশ্চিত করা অসম্ভব।

বেসরকারি খাতের উদ্যেগের মাধ্যমে দেশে উন্নয়ন কর্মকান্ড উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশে ব্যপকভাবে আবাসন শিল্প ব্যবসার প্রসার ঘটেছে তারমধ্যে ঢাকা উল্লেখযোগ্য।

প্রাথমিক পর্যায়ে একটি বিশৃঙ্খলার মধ্যে শুরু হলেও আবাসন খাত বর্তমানে সুশৃঙ্খল শিল্প হিসেবে সংগঠিত হয়েছে। জাতীয় অর্থনীতিতে বিশেষ ভূমিকা রাখার জন্য মান সম্পন্ন আবাসন ব্যবস্থা ব্যতীত কার্যকর জনশক্তি গড়ে তোলা অসম্ভব।

আমাদের সামর্থ্য ও গ্রাহকদের সহযোগিতা নিয়ে আমরা আমাদের নিদির্ষ্ট লক্ষ্যে পেীঁছানোর কাজ করব এবং গ্রাহকের পূর্ণ সন্তুষ্টি নিয়ে তাদের জমি হস্তান্তরই হবে আমাদের মূল লক্ষ্য।

মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী

শুভ কামনা।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহোদয়ের বার্তা

আমাদের সকল গ্রাহক, ব্যবসায়িক অংশীদার, শুভাকাঙ্ক্ষী ও কর্মকর্তাদের আন্তরিক অভিন্দন ও স্বাগতম।

১৪ বছরে আবাসন শিল্প খাতে স্বদেশ প্রপার্টিস লিঃ একটি দৃঢ় অবস্থানে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে। চাহিদা সম্পন্ন ও আকর্ষনীয় অবস্থানে স্বদেশ প্রপার্টিস লিঃ তার আবাসন ব্যবসাকে প্রতিষ্ঠা করে।

আবাসন খাতে নির্মাণ কাজ ও জমি বিক্রয়ের ব্যবসা পরিচালনার জন্য নিষ্কন্টক জমি গুরুত্বপূর্ন অংশ হিসেবে বিবেচিত। আবাসন খাতের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হলো বিশাল অনউন্নয়ন ভূমিকে উন্নয়নের মাধ্যমে ছোট ছোট আকারে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের নিকট হস্তান্তর করা।

স্বদেশ প্রপার্টিসে জমি ক্রয়ে আপনার বিনিয়োগ প্রতি সপ্তাহে, মাসে ও বছরে বৃদ্ধি পায়। বিনিয়োগে এই বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় গ্রাহকরাও আনন্দিত।

কঠোর পরিশ্রম, আন্তরিকতা ও নিষ্ঠা ছাড়া কিছুই সম্ভব নয়” এই দর্শনের উপর বিশ্বাস রেখে স্বদেশ প্রপার্টিস লিঃ আবাসন ও নির্মাণ খাতে প্রবেশ করেছে। যার ফলশ্রুতিতে আমরা একটি সুসংগঠিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছি।

আমি অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাতে চাই যে আমরা,সরকারী নিয়ম নীতি ও রিহ্যাব এর আচরন বিধি কঠোর ভাবে অনুসরন করি যা বাংলাদেশের স্বল্প সংখ্যক প্রতিষ্ঠান করে থাকে। আর এটা বলতে পেরে আমরা গর্বিত, এবং সব সময় আমরা এই নীতি অনুসরন করে যাবো।

পরিশেষে, আমরা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে একটি গতিশীল ভূমিকা পালন করছি। আমি বিশ্বাস করি কঠোর পরিশ্রম, প্রতিশ্রæতি ও গ্রাহক সেবার কোন বিকল্প নাই। আমাদের এই বার্তা আমাদের জন্য অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ।

আমি আমাদের প্রতিষ্ঠানের অনুগত বা বিশ্বস্ত দলের পেশাদার এজেন্ট বা প্রতিনিধি, জমি বিক্রেতা, তত্বাবধায়ক ও সরবরাহকারীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

একটি অগ্রবর্তী প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমরা বিশ্বাস করি পূনর্বাসনের জন্য দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা হিসেবে আমাদের সাফল্যের চাবিকাঠি আমাদের কর্মীদের উন্নয়ন পরিকল্পনা করা। আমরা সফল হয়েছি, আমাদের সীমা অতিক্রম করে গ্রাহকদের সন্তুষ্টি অর্জনে প্রতিযোগিতাপূর্ণ প্রতিশ্রæতির উন্নতি করে। কেননা গ্রাহকদের স্বপ্নপূরণে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন

সকলকে শুভ কামনা।

কর্পোরেট দৃষ্টিকোণ থেকে সামাজিক দায়িত্বপালন

সামাজিক দায়বদ্ধতা নীতি আমাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে সহায়তা করে। সামাজিক দায়বদ্ধতা হলো স্বদেশ প্রোপার্টিস লিমিটেড এর অন্যতম বিশ্বাসের জায়গা।

বিভিন্ন কর্মকান্ডে অংশ নিয়ে আমাদের কর্মীরা দরিদ্র প্রতিবেশী এবং অন্যদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব পালন করে থাকে। আমাদের সামাজিক দায়বদ্ধতার নীতি আমাদের সামগ্রিক ব্যবসায়িক নীতির একটি অবিচ্ছেদ্দ্য অংশ।

আমাদের একটি পৃথক এইচআর এবং কল্যাণ দল রয়েছে যা নিয়মিত সমস্ত সুবিধা নিরীক্ষণ করে এবং অনুমোদিত ব্যক্তিদের কাছে তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়। স্বাস্থ্য, সুরক্ষা, আবহাওয়া বা জলবায়ু পরিবর্তন, ধর্মীয় ও মানবজাতির সমস্যা বা অন্য কোনও বিপর্যয় সম্পর্কিত যে কোনও বিষয়ে হুমকির ক্ষেত্রে আমরা অনুরোধমূলক পদক্ষেপ গ্রহন করি এবং সর্বদা তাদের পাশে থাকি।

Share your feedback